মেনু নির্বাচন করুন

নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

বিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ

 

আয়তনঃ  ২.৭১ একর।

তপশীলঃএস,এ দাগ নং-৫০৮৯, ৫০৯৭, ৫০৯৮, ৫১৮৮, ৫০৯৫।

 হাল দাগ নং- ৩৮৫, ৬৫৭, ২২৪, ৩০৪।

 খতিয়ান নং- এস,এ, ২২৪।

 হাল-১০৬১।

 হাল মৌজা- নওয়াবেঁকী।

 

অবস্থানঃশ্যামনগর- নওয়াবেঁকী প্রধান সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে , নওয়াবেঁকী বাজার ও বাস স্টেশন সংলগ্ন।

পোঃ- নওয়াবেঁকী, উপজেলা- শ্যামনগর, জেলা- সাতক্ষীরা।

পোষ্ট কোডঃ ৯৪৫২।

বিদ্যালয় কোড নং- ৪৮৩০।

EIIN NO- 118927.

বিভাগঃ০৩টি ( বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা)

ছাত্রাবাসঃ ০১ টি।

শিক্ষক/শিক্ষিকাঃ ১২ জন।

সহায়ক কর্মচারীঃ ০১ জন।

সাধারণ কর্মচারীঃ ০৩ জন।

চিত্তবিনোদনঃজাতীয় ও আর্ন্তজাতিক দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান ও ছাত্রদের অংশ গ্রহনে প্রতি বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়। ফুটবল, ভলিবল, ব্যটমিন্টন ও ক্রিকেট অনুশীলন করার সুযোগ দেয়া হয়।

 

ভৌত অবকাঠামোঃফ্যাসিলিটিজ ভবন- ০২ টি, আধাঁ পাঁকা ভবন- ০২টি, পাঁকা শৌচাগার- ০৩টি, পুকুর- ০১টি।

খেলার মাঠঃ ০১ টি (৯৪৯৬১ বর্গফুট)।

মসজিদঃ ০১ টি।

অফিস কক্ষঃ ০১ টি।

শ্রেনী কক্ষঃ ০৭টি।

বিজ্ঞানাগারঃ ০১ টি।

কম্পিউটার ল্যাবঃ ০১ টি। (কম্পিউটার সংখ্যা- ১১ টি, ও ল্যাপটপ- ০১ টি।

বিজ্ঞানাগারঃ ০১ টি।

বিদ্যালয়ের প্রাচীরঃ উত্তর ও পশ্চিম পার্শ্বে পাকা প্রাচীর।

স্কাউটঃ স্কুলে একটি সুসংগঠিত স্কাউট দল আছে।  

১৯৪৮ ইং

বিদ্যালয়ের ইতিহাসঃ

 

                   ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট ভারতীয় উপমহাদেশে সুদীর্ঘ দুই শত বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চল সমুহ নিয়ে ভারত ও মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল নিয়ে ‘‘পাকিস্তান’’ নামক দুটি পৃথক রাষ্ট্র হিসাবে আত্ম প্রকাশ করে। দীর্ঘ ১২০০ মাইলের ব্যধান থাকা সত্বেও মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ হওয়ার কারনে তৎকালীন পূর্ব বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তান নাম দিয়ে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পশ্চিম পাকিস্তানের হাতে ন্যস্ত হয় কেন্দ্রীয় শাসন ক্ষমতা। স্বাধীনতা লাভের আনন্দে এবং গোলামীর কলঙ্ক মুক্ত হয়ে সে দিন মুক্ত জীবনের সুখ- স্বপ্নে বিভোর হল এদেশের নিপিড়ীত আপামর জনসাধারণ।  কিন্তু পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী  এ অঞ্চলের জনসাধারনের স্বপ্ন ভাঙ্গতে বিশেষ সময় নেয়নি। পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ অচরেই উপলদ্ধি করল তারা পুনরায় নব্য শোষকের কবলে পতিত হয়েছে। সীমাহীন বৈষম্যের স্বীকার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি কনো খানে। হাজার বছরের প্রাচীন এ জনপদ শিক্ষা,সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, প্রতিরক্ষা, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান প্রভৃতি ক্ষেত্রে ছিল চরম অবহেলিত। এমনি এক সময়ের প্রেক্ষাপটে আপাত সমৃদ্ধ জনপদ নওয়াবেঁকীর কিছু উৎসাহী যুবক ‘‘নওয়াবেঁকী হাইস্কুল’’ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন।

আধুনিকতার ছোয়াহীন, অজ্ঞানতার অন্ধকারে নিমজ্জিত অজপল্লীতে শিক্ষা বিস্তারের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন নিতান্ত সহজ না হলেও কিছু মহৎ মানুষের দৃঢ় সংকল্পের কাছে সকল প্রতিবন্ধকতা পরাস্থ হয়। যারা সেদিন এই মহান ব্রতকে সফল করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন তাদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম এখানে বিশেষভাবে প্রনিধান যোগ্য- এম, ফজলুল হক, ডাঃ আনছার উদ্দীন, এস, এম, আব্দুল আজিজ, আবুল কাশেম মোড়ল, প্রমুখ। তখন আটুলিয়া ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন মরহুম আয়জদ্দিন মোড়ল। আর তারই বিশেষ সঙ্গী ইউনিয়নের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন মরহুম পুঞ্জ গাজী, মরহুম আছিরদ্দিন মোড়ল, মরহুম ফটিক মোড়ল, মরহুম তছমান মোড়ল, মরহুম আতিয়ার রহমান মোড়ল। উৎসাহী ও উদ্দোমী এ সকল যুবকদের সদিচ্ছা ও প্রচেষ্টায় সেদিন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন।

বলা প্রয়োজন- এ সময় নওয়াবেঁকী খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন মরহুম মহসীন সাহেব। তিনি একজন বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি ছিলেন। একজন সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে তিনি অত্র বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্নক সহযোগীতা করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি শ্যামনগর আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

বর্তমানে যেখানে নওয়াবেঁকী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি আছে সে সময়ে সেখানে কেওড়া গাছ ও হরগজা বাগান ছিল। নদীর চর। জোয়ার ভাটার এলাকা ছিল। সর্বসম্মতিক্রমে এই জংগল পরিস্কার কওে ঐখানে স্কুল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মহসীন সাহেব ও অন্যান্যদেও আর্থিক আনুকুল্যে এবং সর্বসাধারনের থেকে আদায়কৃত চঁাদার টাকা দিয়ে ৬০ হাত লম্বা পশুরের খুটি ও টালির ছাউনি বিশিষ্ট একটি ঘর নির্মান করা হয়।

উল্লেখ করা প্রয়োজন- সে সময়ে ৪র্থ শ্রেনী পর্যন্ত ছিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত। তাই ৫ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেনী খোলার সিদ্ধান্ত হয়। ১৯৪৮ এর জানুয়ারী মাস তখনও স্কুল গৃহ নির্মিত হয়নি। নওয়াবেঁকী বাজারের পশ্চিম পার্শ্বে তরফাতুল্লাহ মোড়ল সাহেবের একটি দোকান ঘরে বিদ্যালয়ের প্রথম কার্যক্রম শুরু হয়, প্রথম শিক্ষক হিসাবে বিদ্যালয়ের চেয়ারে বসেন মরহুম বেলায়েত হোসেন গাইন সাহেব।

অতঃপর অল্প দিনের মধ্যে নবনির্মিত গৃহে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলতে থাকে। ৫ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেনী খোলা হলেও মূলত ৫ম শ্রেনীতে প্রায় ৬০ জনের মত ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়। প্রধান শিক্ষক হিসাবে আসেন কাঠঁাল বাড়িয়ার মরহুম নূও আলী সাহেব। অত্যন্ত ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন এবং সৌখিন এ ভদ্রলোকের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল আই, এস, সি পাশ। তিনি মাত্র ৩ বছরের মধ্যে বিদ্যালয়ের একটি জমজমাট ভাব গড়ে তোলেন। ১৯৫২ সালে দেশে দারুন দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে বিদ্যালয়টির কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা আসে। প্রধান শিক্ষক চাকুরী ছেড়ে যান। প্রধান শিক্ষক হিসাবে এর পর দায়িত্বভার গ্রহন করেন রতিকান্ত বাবু। কিন্তু দুর্ভিক্ষ পিড়িত আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে বিদ্যারয়ের কার্যক্রমে তিনি গতিশীলতা আনতে ব্যর্থ হন। খুড়িয়ে চলে শিক্ষা কার্যক্রম। এ সময় আব্দুল আজিজ সাহেব নওয়াবেঁকী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে যোগ দেন। তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাথে সাথে হাইস্কুলেও স্বেচ্ছায় পাঠদান করতেন।

১৯৫৭ সালে এম, ওয়াজেদুর রহমান প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহন করে বিদ্যালয়ের ম্রিয়মান কার্যক্রমে গতি সঞ্চার করেন।  নব উদ্যমে  স্কুলের কার্যক্রম শুরু হয়। মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে আবারও প্রধান শিক্ষকের পরিবর্তন হয়। যোগ দেন আই,এ পাশ শ্রী দেবী রঞ্জন দেওয়ান। এ সময় জনাব আবু বকর সিদ্দিক ও ওমর আলী নামক আরও দুইজন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়।

১৯৫৮। আইয়ুব খানের নেতৃত্বে পাকিস্তানে সামরিক শাষন জারী হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরাজ করছে থম থমে ভাব। জনাব এম, এম, সামছূল হক তখন পাতাখালী ও কিছুদিন পর গাবুরা ইস্কুলে চাকুরী করে কিছুটা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন। তিনি নওয়াবেঁকী হাইস্কুলটিকে পুনঃর্জীবিত করতে গাবুরা থেকে চাকুরী ছেড়ে নওয়াবেঁকী হাইস্কুলে যোগ দেন। তিনিই প্রথম তৎকালিন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জনাব আতিয়ার রহমানের কাছে বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে বিদ্যালয়টি বর্তমান স্থানে স্থানান্তরের প্রস্তাব পেশ করেন। দীর্ঘ আলাপ আলোচনার পর বিদ্যালয়টি বর্তমান সাথানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়। এই জমির মালিকগন যথাক্রমে- তরফাতুল্যা মোড়ল গং, ফটিক মোড়ল গং, এলাহী বক্স মোড়ল গং ও ময়নুদ্দীন মোড়ল গং বিদ্যালয়ের নামে জমি রেজিষ্ট্রি করে দেন। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের প্রয়োজনে জনাব আতিয়ার রহমান গং ও জনাব ফজলুল হক গং আরও কিছু জমি বিদ্যালয়ের নামে রেজিষ্ট্রি করে দেন। অবশেষে ১৯৫৯ সালে জনাব এম, এম, সামছুল হক এবং স্থানীয় জনগন ও ছাত্ররা স্বনির্ভরে বিদ্যালয়টি প্রস্তাবিত স্থানে স্থানান্তর তথা পুনঃর্নিমান করেন। এ বছরেই তৎকালীন মহাকুমা শিক্ষা অফিসার জনাব আব্দুল কাদের বিদ্যালয়টি পরিদর্শণ ও অনুমোদন দেয়ার ব্যবস্থা করেন।দীর্ঘদিন ভাঙ্গা-গড়ার মধ্যদিয়ে মূলতঃ এ সালেই বিদ্যালয়টি একটি স্থায়ী অবস্থান তৈরীতে সক্ষম হয়- এবং এ কারনেই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৫৯ সাল হিসাবে পরিচিতি লাভ করে । এ সময়ে জনাব শামছুল হক সাহেবের সহযোগী ও দক্ষিণ হস্ত হিসাবে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন জনাব এম, আবু বকর সিদ্দিক। তখন প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব দেয়া হয় শ্রী দূর্গাপদ স্বর্ণকারকে। এর কিছুদিন পরে জনাব এ, এম, শামছুল হক প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার গ্রহন করেন। এ সময়ে অধ্যাপক মোশারাফ হোসেন এর নেতৃত্বে পার্শববর্তী প্রতাপনগর ইউনিয়নে ইউনাইটেড একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়। একজন অভিজ্ঞ হেডমাস্টার হিসাবে তিনি নওয়াবেঁকী হাইস্কুলের সার্বিক উন্নয়নে জনাব এম, এম, শামছুল হক কে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিতেন। 

১৯৬৫। ৯ম শ্রেনী খোলার অনুমতি পাওয়া যায় এবং ১৯৬৭ সালে অত্র বিদ্যালয় হতে প্রথম ম্যট্রিক পরীক্ষায় ছাত্ররা অংশ গ্রহনের সুযোগ লাভ করে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব শামছুল হক বিষয় ভিত্তিক   শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে তৎকালীন সময়ে মেধাবী ও স্বনামধন্য কিছু শিক্ষক নিয়োগ করতে সক্ষম হন। তাঁর এ সুদুর প্রসারী সিদ্ধান্ত বিদ্যালয়টিকে পরবর্তীতে এলাকার সবচেয়ে জাকজমক পূর্ণ, প্রগতিশীল , সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অন্যতম অবদান রক্ষাকারী, সুশিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে আপন মহিমায় উজ্জ্বল শিক্ষালয়ে পরিনত করতে স্ব-বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক জনাব জি, এম, নাসির উদ্দীন- ইংরেজী, জনাব এম,আবু বকর সিদ্দিক-বাংলা, জনাব নূর-মুহম্মদ- বিজ্ঞান ও গনিত- এ ছাড়া দক্ষ ও মেধা সম্পন্ন শিক্ষক জনাব এম, ওয়াজেদুর রহমান, সুলতান আহমেদ শিক্ষকতার ক্ষেত্রে অনন্য প্রশংসিত অবদান রেখে অতি অল্প দিনের মধ্যে নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্বর্ণযুগের সূচনা করেন। আদর্শ শিক্ষাদানে, কঠোর প্রশাসনে, উন্নতমানের খেলা-ধুলা ও সাস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সুনাম তখন ভাদ্রের ভরা নদীর মত কানায় কানায় পরিপূর্ণ।এমনি এক মহেন্দ্রক্ষনে সেপ্টেম্বর-১৯৮৫ ইং তারিখে মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রথম এম,পি,ও ভুক্ত হয়।

জনাব এম, শামছুল হক সাহেবের সাহসী ও বলিষ্ঠ ভূমিকা এবং প্রধান শিক্ষক হিসাবে তাঁর দৃঢ়চেতা মানসিকতা, কর্মদক্ষতা এবং আন্তরিক প্রচেষ্টা,সদ্য প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি সুগঠনের অন্যতম নিয়ামক শক্তি হিসাবে কাজ করেছে। পরবর্তীতে জনাব মমতাজ উদ্দীনের মত একজন মেধা সম্পন্ন শিক্ষকের সংযোজন বিদ্যালয়টিকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়। শিক্ষকতার ক্ষেত্রে জনাব জি, এম, সহির উদ্দীন, জনাব শহীদ নূরুল ইসলাম, জনাব নজরুল ইসলাম প্রত্যেকে নিজ নিজ সীমায় সুনামের সাথে শিক্ষকতা করেছেন। তারপর জোয়ার যেমন ভাটার ইংগিত বহন করে তেমনি এক সময়ে একে একে নামী দামী শিক্ষকদেরবিদায়ের পালা এলো, জনাব জি, এম, নাসির উদ্দীন সাহেব চলে গেলেন কাশীমাড়ি ইস্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়ে আর জনাব নূর মুহম্মদ সাহেব গাবুরা ইস্কুলের সহঃপ্রধান শিক্ষক হয়ে। বড় বড় শূন্যতার সৃষ্টি হল। এই শূন্যতা পূরনে আসলেন জনাব মফিজ উদ্দীন,জনাব আব্দুল গফুর, জনাব আবুহেনা মোস্তফা কামাল উদ্দীন প্রমূখ। কিন্তু সে ঘাটতি যেন পূরন হলো না।

১৯৮৬। নব প্রতিষ্ঠিত ছফিরুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হয়ে চলে গেলেন মোঃ মমতাজ উদ্দীন। সহকারী প্রধান শিক্ষক এম, ওয়াজেদুর রহমান ছিলেন প্রধান শিক্ষক জনাব এম, শামছুল হকের অত্যন্ত বিশ্বাস ভাজন ও একান্ত সহকর্মী বন্ধু। শিক্ষাদান এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তার অনন্য অবদান স্বশ্রদ্ধ চিত্ত্বে স্মরণ যোগ্য। ১৯৯৪ সালে তিনি অবসর গ্রহন করলে প্রধান শিক্ষক অনেকটা মুষড়ে পড়েন। পর বছর প্রধান শিক্ষক জনাব শামছুল হক অবসর গ্রহন করেন। এই শূন্যপদে সর্ব সম্মতি ক্রমে নিয়োগ লাভ করেন জনাব এম আবু বকর সিদ্দিক।

প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে তিনি অল্পকালের মধ্যে বিদ্যালয়ের ভেঙ্গে পড়া প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কার করলেন। তারই প্রচেষ্টায় ফ্যাসিলিটিজ ডিপার্টমেন্ট কতৃক একটি নতুন বিল্ডিং নির্মিত হল। স্থানীয় উৎসাহী তরুন ও অবস্থাশালী ব্যক্তিদের উদ্বুদ্ধ করে তিনি ইস্কুলের বাউন্ডারী ওয়াল দেয়ার ব্যবস্থা করেন। পড়া শুনা ও খেলা ধুলার  ক্ষেত্রে একটি আদর্শ পরিবেশ গড়ে উঠল।

১৯৯৬ এ আন্তইস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় ফুটবল খেলায় নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সর্বপ্রথম জাতীয় পর্যায়ে অপরাজিত রানার্সআপ শিরোপা লাভ করে অনন্য গৌরব ও ঐতিহ্য সৃষ্টি করে। সাড়া জাগানো এই কৃতিত্ত্বের জন্য কৃতি খেলোয়াড়দেও সংবর্ধনায় আয়োজিত বণার্ঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে এই প্রথম খুলনার মাননীয় সিটি মেয়র জনাব শেখ তৈয়েবুর রহমান ও বিশেষ অতিথি হিসাবে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমা ধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের মাননীয় চেয়ারম্যান, স্থানীয় শ্যামনগর-০৫ আসনের সংসদ জনাব ফজলুল হক, খুলনা আহসানিয়া কলেজের অধ্যক্ষ ও দৈনিক অনির্বান পত্রিকার সম্মানিত সম্পাদক জনাব আলী আহমদ, খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি জনাব রফিক সাহেব ও আরও অনেক কৃতি ব্যক্তিত্ব উপস্থিত হয়ে নওয়াবেকী মাধ্রমিক বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যকে সমুজ্জ্বল করেন।

৬০ বছর পূর্তিতে ১৯৯৮ সালের ৩০শে জুন জনাব এম, আবু বকর সিদ্দিক অবসর গ্রহন করলে পরবর্তী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে  জটিলতা দেখা দেয়। অস্থায়ীভাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে যথাক্রমে শশাঙ্ক কুমার মন্ডল, মফিজ উদ্দীন আমেদ ও আব্দুল গফুর সাহেব দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর ছফিরুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ মমতাজ উদ্দীন অত্র বিদ্যালয়ের হাল ধরার ইচ্ছা ব্যক্ত করলে ইস্কুলের সার্বিক কল্যানার্থে জনাব মমতাজ উদ্দীনকে প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। এ সময়ে এক নাজুক পরিস্থিতিতে মাত্র ছয়মাস দায়িত্ব পালন করার পর তিনি প্রধান শিক্ষকের পদে ইস্তফা দিয়ে পূর্বেও স্থানে ফিরে যান। আবার শূন্যতা- অবশেষে সংকরকাটি খাদিজা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আবুল হাশেম কে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া হল। দীর্ঘ আট বছর কার্যকাল শেষে ১ জানুয়ারী ২০০৮ সালে অবসর গ্রহন করেন। অতঃপর পর্যায়ক্রমে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শশাঙ্ক কুমার ও সহঃ শিক্ষক জনাব আবুহেনা মোস্তফা কামাল উদ্দীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও দীর্ঘ ২৯ বছর অত্র প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাকতার পর সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব শশাঙ্ক কুমার মন্ড কে ০৫-১২-২০০৮ তারিখে সর্বসম্মতিক্রমে বিধিসম্মতভাবে নিয়োগ দান করা হয়। তিঁনি তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমেইবদ্রালয়ের জড়তা ও স্থবিরতা কাটিয়ে বিদ্যালয়টিকে একটি  গতিশীল, যুগোপযোগী এবং উন্নত অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য আপ্রান প্রচেষ্টা অব্রহত রেখেছেন।

বর্তমানে বিদ্যালয়ে অনেক তরুন ও মেধাবী শিক্ষকদের  আগমন ঘটায় বিদ্যালয়ের শিখন শেখা কার্যক্রমে অনন্য গতি সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয় সূধী, ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে লেখা-পড়ার একটি সওন্দও পরিবেশ বিরাজমান।

বিদ্যালয়টিকে যারা এ যাবৎকাল বিভিন্ন সময়ে ম্যানেজিং কমিটিতে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছেন তাঁদেও নাম স্মরনীয়। তঁারা হলেন- মরহুম আতিয়ার রহমান, জনাব এম,এম, ফজলুল হক, জনাব এম, এম, শামছুল হক, জনাব এস,এম, আব্দুল মান্নান। তাছাড়া ডাঃ আনছার উদ্দীন ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির আজীবন সদস্য।

১৯৬৭ হতে ২০১১। এই দীর্ঘ সময়ে কালের গতি পরিবর্তন হয়েছে। আর সেই পরিবর্তনের মাঝে প্রায় ২০০০ ছাত্র-ছাত্রী অত্র পতিষ্ঠান থেকে কুতকার্য হয়ে উচ্চতর শিক্ষায় আত্মনিয়োগে সক্ষম হয়েছে। এই বিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য সংক্ষক কৃতি ছাত্ররা আজ দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা, বৈজ্ঞানিক গবেষনা, সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ড,সরকারী-বেসরকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রভৃতি ক্ষেত্রে শীর্ষ অবস্থানে থেকে দেশ ও জাতীর সেবায় আত্মনিয়োগ করে মহান দায়িত্ব পালন করছে।  

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
শশাঙ্ক কুমার মন্ডল। ০১৭২৬-৬৩১৩৫৯। robiulislam772@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

শ্রেনী ভিত্তিক শিক্ষার্থীর সংখ্যাঃ

৬ষ্ঠ শ্রেনীঃ ১১৪ জন।

৭ম শ্রেনীঃ ১১৩ জন।

৮ম শ্রেনীঃ ৭৪ জন।

৯ম শ্রেনীঃ ৭০ জন।

১০ম শ্রেনীঃ ৫৯ জন।

পাশের হারঃ পরীক্ষার নাম সাল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা পাশের সংখ্যা পাশের হার এস,এস,সি ২০১১ ৫৫ ৪৯ ৯০% জে, এস, সি ২০১১ ৮৮ ৭০ ৮০%

ম্যানেজিং কমিটির বিবরণীঃ

 

ক্রমিক নং

নাম

পদবী

০১

জনাব এস, এম, আব্দুল মান্নান

সভাপতি

০২

শ্রী শশাঙ্ক কুমার মন্ডল

সদস্য সচিব

০৩

জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান

শিক্ষক প্রতিনিধি

০৪

জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান

শিক্ষক প্রতিনিধি

০৫

জনাবা মমতাজ পারভীন

শিক্ষক প্রতিনিধি(মহিলা)

০৬

জনাব আকরাম হোসেন

অভিভাবক প্রতিনিধি

০৭

জনাব আলঃ শাহাবুদ্দীন আহমেদ

অভিভাবক প্রতিনিধি

০৮

শ্রী কমল কান্তি মন্ডল

অভিভাবক প্রতিনিধি

০৯

জনাব আজিজুল ইসলাম

অভিভাবক প্রতিনিধি

১০

জনাবা ঝরনা খাতুন

অভিভাবক প্রতিনিধি(মহিলা)

১১

জনাব মোঃ আনিছুর রহমান

দাতা সদস্য

১২

জনাব ইকরামুল কবীর

বিদ্যোৎসাহী সদস্য

১৩

না্ই

প্রতিষ্ঠাতা সদস্য

 

 

পূর্বে সভাপতি হিসাবে যারা দায়িত্ব পালন করেছেনঃ

০১। মরহুম আলহাজ্ব মোঃ আতিয়ার রহমান।

০২। জনাব আলহাজ্ব এম,এম, ফজলুল হক।

বিগত ৫ বছরের জুনিয়র বৃত্তি প্রাপ্তির বিবরণীঃ

 

পরীক্ষার বছর

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

বৃত্তি প্রাপ্তির সংখ্যা

২০০৭

০৭

০১

২০০৮

১০

০২

২০০৯

১৪

০৩

২০১০

৬৬

০১

২০১১

৮৮

ফলাফল অপ্রকাশিত

 

(খ) উপবৃত্তির বিবরণঃ

ক) ২০১০ সালঃ

৬ষ্ঠ শ্রেনী- ০৭ জন।

৭ম শ্রেনী- ০৮ জন।

৮ম শ্রেনী- ০৭ জন।

১০ ম শ্রেনী- ০৫ জন।

খ) ২০১১ সালঃ

৬ষ্ঠ শ্রেনী- ১২ জন।

৭ম শ্রেনী- ১১ জন।

৮ম শ্রেনী- ০৯ জন।

১০ ম শ্রেনী- ০৯ জন।

 

বিগত ০৫ (পাঁচ) বছরের এস, এস, সি,পরীক্ষার ফলাফলঃ

 

পরীক্ষার বছর

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের সংখ্যা

পাশের হার

২০০৭

৪০

৩২

৮০%

২০০৮

৪৭

৩১

৬৬%

২০০৯

৬৩

৪৫

৭১%

২০১০

৫৭

৪৯

৮৬%

২০১১

৫৫

৪৯

৯০%

 

 

বিগত ০২(দুই) বছরের জে, এস, সি, পরীক্ষার ফলাফলঃ

 

পরীক্ষার বছর

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের সংখ্যা

পাশের হার

২০১০

৭৩

৪৩

৫৯%

২০১১

৮৮

৭০

৮০%

কৃতি ছাত্রদের অর্জনঃ

ক) চিকিৎসকঃ এম, বি, বি, এস- ০৫ জন।

                   এম, বি, ডি, এম- ০২ জন।

খ) প্রকৌশলীঃ ০৩ জন।

গ) গবেষকঃ এম, এ, জি ০১ জন।

                   (ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর)

ঘ) ডক্টরেটঃ ০৩ জন।

ঙ) জজঃ  ০১ জন।

চ) প্রিন্সিপালঃ ০২ জন।

ছ) প্রভাষকঃ ৩০ জন।

জ ) প্রধান শিক্ষকঃ মাধ্যমিক- ০৮ জন।

                             প্রাথমিক ৫০ জন।

ঝ) শিক্ষকঃ মাধ্যমিক- ২০০ জন।

                   প্রাথমিক- ২৫০ জন।

ঞ) সরকারী চাকুরী জীবিঃ ১০০ জন।

ট) সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীঃ ৫০ জন।

ঠ) পুলিশঃ ৫০ জন।

ড) বিবিধঃ ৫০০ জন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ

 

১। অত্র বিদ্যালয়ে ২০১২-২০১৩ শিক্ষা বর্ষ থেকে নওয়াবেঁকী মহাবিদ্যালয় ও ছফিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় নিয়ে নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এস,এস,সি পরীক্ষাকেন্দ্র  স্থাপনের চলমান উদ্যোগকে বাস্তবায়ন করা।

২।  আধুনিক পাঠদান উপযোগী শ্রেনী কক্ষ সম্বলিত ডিজিটাল রিসোর্স সমৃদ্ধ একটি দ্বিতল ভবন নির্মান। ইতি মধ্যে বর্তমান এম,পি মহোদয়ের নেতৃত্বে সাড়ম্বরে এর কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে।

৩। একটি দ্বিতল হোষ্টেল নির্মান।

৪। ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেনীতে দু‘টি সেকশন খোলা ও প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ করা।

৫। একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা ও লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ করে  ছাত্র ও শিক্ষকদের জন্য উম্মুক্ত জ্ঞানচর্চার সুযোগ সৃষ্টি করা।

৬। বর্তমান স্থাপিত কম্পিউটার ল্যাবকে আর ও সমৃদ্ধ করে পাবলিক সহ ছাত্র-শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

৭। বিদ্যালয়ের সার্বিক অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক উন্নয়ন কার্যে সরকারের পাশাপাশি আভ্যন্তরীন ভাবে অর্থায়নকল্পে বিদ্যালয়ের একটি স্থায়ী আয়ের উৎস্য সৃষ্টি করা।

৮। একটি ছাত্র কল্যান তহবিল সৃষ্টি করা।

৯। সৃজনশীল পাঠদান কার্যক্রম ও এসবিএ পদ্ধতির ১০০% প্রয়োগ নিশ্চিত করা।

১০। আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রত্যেক শ্রেনীতে ডিজিটালাইজ পদ্ধতি তথা প্রজেক্টরের মাধ্যমে শ্রেনী পাঠ কার্যক্রম পরিচালনা নিশ্চিত করা।

১১। বিদ্যালয়ের  ক্রমবৃদ্ধিপ্রাপ্ত এস,এস,সি ও জে, এস, সি পরীক্ষার কৃতকার্যতার হার ১০০% উন্নীত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

যোগাযোগঃ

 

          প্রধান শিক্ষকের নামঃ শশাঙ্ক কুমার মন্ডল, প্রধান শিক্ষক।

          ইনডেক্স নং- HM- ১৮৫৩৫৫

          মোবাইল- ০১৭২৬-৬৩১৩৫৯।

          ই-মেইল- ns.nowabenki@yahoo.com

বর্তমান ঠিকানাঃ নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

          ডাকঃ নওয়াবেঁকী,

          উপজেলাঃ শ্যামনগর,

          জেলাঃ সাতক্ষীরা।

স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম+ ডাকঃ হেঞ্চি,

          উপজেলাঃ শ্যামনগর,

          জেলাঃ সাতক্ষীরা।

মেধাবী ছাত্রদের তালিকাঃ

এস,এস,সিঃ ২০১১ সাল-

A+ - ০১ জন।

A      - ১৪জন।

A-      - ০৭ জন।



Share with :

Facebook Twitter