মেনু নির্বাচন করুন

ভৈরবনগর দারুল উলুম বালিকা দাখিল মাদ্রাসা

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

 

প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

ভৈরবনগর বালিকা দাখিল মাদ্রাসাটি বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত সুন্দরবন এর কোল ঘেষা খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরা জেলার অন্তর্গত শ্যামনগর উপজেলাস্থ ৬নং রমজাননগর ইউনিয়নের ভৈরবনগর গ্রামে ও মৌজায় ছায়াঘন প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত। অত্র এলাকার নিরক্ষরতা, ধর্মন্ধতা, কুসংস্কার দুরীকরন তথা এলাকার অধিকাংশ অস্বচ্ছল ও সুবিধা বঞ্চিত পরিবারের কোমলমতি সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে এলাকার বিশিষ্ঠ বিশিষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি বর্গ সর্ব জনাব আলহাজ্জ্ব মোঃ আরশাদ আলী মোড়ল,আলহাজ্জ্ব ডি,এম আব্দুল গনি,আলহাজ্জ্ব শেখ মাহামুদ হোসেন, শেখ আল মামুন, আলহাজ্জ্ব শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, আলহাজ্জ্ব মোঃ আব্দুস সবুর গাজী, আলহাজ্জ্ব মোঃ মোনতেজ আলী গাজী,  প্রতিষ্ঠাকালিন প্রধান সুপার মাওলানা মুহাঃ নূরুল ইসলাম গাজী, সহ সুপার মোঃ আব্দুল মোমিন, শিক্ষক মন্ডলী মাওলানা ইদ্রিস আলী, মাওলানা শহিদুল্লাহ মাওলানা মফিজুর রহমান, বাবু মহানন্দ মন্ডল, বাবু ইন্দ্রজিৎ কুমার গায়েন, মোঃ আকবর হোসেন, মোঃ আব্দুর রহিম, মিসেস মরিয়ম খাতুন, এঁদের  ঐকান্তিক উদ্যোগে এবং প্রতিষ্ঠাতা ১। আলহাজ্জ্ব আরশাদ আলী মোড়ল ২। আলহাজ্জ্ব ডি,এম আব্দুল গনি ৩। শেখ আল মামুন ৪। আলহজ্জ্ব মোঃ আব্দস সবুর গাজী ৫। মোঃ আবুল হোসেন গাজী, ও গ্রামের অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণ -এঁদের আর্থিক অনুদানে প্রথমে ভৈরবনগর দারুল উলুম বালিকা দাখিল মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।  ৫নং কৈখালী ইউনিয়ন ও ৮নং ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন এবং ৬নং রমজাননগর ইউনিয়নটি  অত্র ৩টি ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র ভৈরবনগর দারুল উলুম বালিকা দাখিল মাদ্রাসারটি ধর্মীয় নারী শিক্ষা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত। যাহা বিগত ১৯৯৬ সাল হইতে অদ্যবধি হাঁটি হাঁটি পা পা করে পথচলা শুরু করে। বর্তমানে প্রায় ৩শতাধিক এর মত ছাত্র/ছাত্রী মাদ্রাসাটিতে পড়ালেখা করিয়া আসিতেছে। মাদ্রাসাটিতে শিক্ষাক্রম সমূহ সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে সুদক্ষ শিক্ষক শিক্ষিকা মন্ডলীর দ্বারা পরিচালিত হইয়া আসিতেছে। অত্র প্রতিষ্ঠানটি সকল শিক্ষক শিক্ষিকা ও কর্মচারী বৃন্দের এবং পরিচালনা কমিটির সর্বাত্নক সহযোগীতায় মাদ্রাসাটি একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্মীয় নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে সর্বজনের নিকট সমাদৃত।

মাদ্রাসার  ঠিকানা সম্পর্কিত তথ্যঃ

মৌজা   ঃ ভৈরবনগর, খতিয়ান নং এস,এ - ২৫৫,৫১,৩৮,২৫৫          সহ ০৪টি    দাগ(এস,এ)-১৪৪ দাগে ৩৭ শতক ১৪৬ দাগ ৩০ শতক ৩৪২ দাগে ৩৩ শতক ১২৭ দাগে ৩৩ শতক মোট ১.৩৩ শতক            

গ্রাম     ঃ ভৈরবনগর,   ডাকঘর           ঃ রমজাননগর,          পোষ্ট কোড-৯৪৫০,                 ইউনিয়ন-রমজাননগর

উপজেলা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা,     বিভাগ-খুলনা

 

মাদ্রাসার স্বীকৃতি সম্পর্কিত তথ্যঃ

(বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ড,ঢাকা কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত)

ক. দাখিল মাদ্রাসাঃ ইংরেজি ০১/০১/২০০৩ থেকে অনুমোদিত (মাদ্রাসা)

খ. ইবতেদায়ী ১ম শ্রেনী থেকে দাখিল ১০ম শ্রেনী ঃ ইংরেজি ০১/০১/২০০৯ থেকে স্বীকৃতি প্রাপ্ত (কলেজ)

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

 

 

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে যখন অত্র দূর্গম এলাকায় কোন ধর্মীয় নারী শিক্ষার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় কুসংস্কার ও অশিক্ষায় ভরা সমাজের সন্তানদের সুশিক্ষা লাভের জন্য অতি দুর্গম  পথ পাড়ি দিয়ে বহু দুরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যার্জন ছিল খুবই দুরূহ। এমতাবস্থা থেকে উত্তরনের লক্ষ্যে এলাকার কিছু শিক্ষিত তরুন ও সচেতন বয়ঃজ্যেষ্ঠ বিদ্যুৎসাহী ব্যক্তিবর্গ শিক্ষাব্রত মন নিয়ে অত্র এলাকায় একটি ধর্মীয় নারী শিক্ষার প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন। তাঁদেরই উদ্যোগে সেই স্বপ্ন পূরনে এগিয়ে আসেন  পাতড়া খোলা গ্রামের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্জ্ব মোঃ আরশাদ আলী মোড়ল। অবশেষে ১৯৯৬ সালে ১লা জানুয়ারী থেকে ভৈরবনগর দারুল উলুম বালিকা দাখিল মাদ্রাসাটি অগ্রযাত্রা শুরু করে। এবং ২০০৩ সালে সরকারী ভাবে দাখিল খোলার প্রাথমিক অনুমতি পেয়ে ২০০৯ সালে সরকারী ভাবে স্বীকৃতি পায়। অপূর্ব মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত পরিবেশে ভৈরবনগর মৌজায় ১.৩৩ শতক জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রতি বৎসর আশানুরুপ সংখ্যাক শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় সাফল্যের সঙ্গে কৃতিত্ব অর্জন করে আসিতেছে। মাদ্রারাসাটি সার্বিক উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতায় অত্র অশিক্ষিত এলাকার ছাত্র/ছাত্রীদের শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়ার জন্য এলাকার সচেতন অভিভাবক সমাজের আগ্রহে মাদ্রাসাটি সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়ে আসিতেছে। আসার কথা বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির উত্তরোত্তর সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সম্মানিত সদস্যবর্গ কর্মরত শিক্ষক শিক্ষিকা ও কর্মচারীবৃন্দ গভীর আন্তরিকতার সঙ্গে নিরালসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

 

 

 

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মুহাঃ নূরুল ইসলাম 0 nurul@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

শ্রেণীভিত্তিক ছাত্র / ছাত্রীর সংখ্যা

ক. ইবতেদায়ী স্তর (মাদ্রাসা)ঃ

          ১ম শ্রেণী- ৩২ জন                               

          ২য় শ্রেণী- ৩৩ জন

          ৩য় শ্রেণী-৩০ জন

          ৪র্থ শ্রেণী-২৬ জন

          ৫ম শ্রেণী-২৪ জন

          সর্বমোট- ১৪৫ জন

 

 

খ. দাখিল স্তর(মাদ্রাসা)ঃ

          ৬ষ্ঠ শ্রেনী-৩৮ জন

          ৭ম শ্রেনী-৩০ জন

          ৮ম শ্রেনী-২১ জন

          ৯ম শ্রেনী-১৮ জন

        ১০ম শ্রেনী-২০ জন

         সর্বমোট-১২৭

 

 

 

 

 

৬১.৫৪%

কমিটির বিবরণী

 

 

গভর্ণিং বডির তালিকা

ক্রঃ নং

সদস্যবৃন্দের নাম

পদবী

মন্তব্য

০১

আলহাজ্ব আরশাদ আলী মোড়ল

সভাপতি

 

০২

 শেখ আল-মামুন

প্রতিষ্ঠাতা সদস্য

 

০৩

মাওঃ নূরুল ইসলাম সুপার অত্র মাদ্রাসা

সম্পাদক

 

০৪

আলহাজ্ব মোঃ মুজিবর  রহমান

দাতা

 

০৫

আলহাজ্ব আব্দুস সবুর গাজী

সদস্য

 

০৬

আলহাজ্ব আব্দুল গনি ঢালী

বিদ্যোৎশাহী

 

০৭

 মোঃ আব্দুল মাজেদ গাজী

অভিভাবক সদস্য

 

০৮

 মোঃ রুহুল আমিন মোড়ল

অভিভাবক সদস্য

 

০৯

 মোঃআবুল হোসেন

অভিভাবক সদস্য

 

১০

মোছাঃ ফাতিমা শাহজাহান

মহিলা সদস্যা

 

১১

 মোঃ শহিদুল্লাহ

শিক্ষক প্রতিনিধি

 

১২

 শেখ আব্দুর রহিম

শিক্ষক প্রতিনিধি

 

১৩

 মোছাঃ মরিয়ম খাতুন

শিক্ষক প্রতিনিধি

 

বিগত ৫ বছরের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল

 

 

জে,ডি,সি

পরীক্ষার সাল

পাশের হার

মন্তব্য

২০১০

১০০%

 

২০১১

৮৩.৩৩%

 

 

দাখিল

পরীক্ষার সাল

পাশের হার

মন্তব্য

২০০৭

১০০%

 

২০০৮

৫০%

 

২০০৯

১০০%

 

২০১০

১০০%

 

২০১১

৬১.৫৪%

 

 

শিক্ষা বৃত্তি সংক্রান্ত তথ্য সমূহ

 

 

উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী

সাল

ছাত্রী সংখ্যা

 

মন্তব্য

২০১০

৩২ জন

 

 

২০১১

৩০ জন

 

 

অর্জন

 

 

প্রতিষ্ঠার লগ্ন থেকে মাদ্রাসাটি  সর্বজনের সহযোগিতায় সকল বিষয়ে অনেক সাফল্য অর্জন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ১৯৯৬ ও ২০০৪ সালে শ্যামনগর উপজেলার মাদ্রাসা  পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০০৩ এ শ্যামনগর উপজেলার মাদ্রাসা  পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

 

প্রতিবছর মাদ্রাসাটি  থেকে জে ডি,সি এবং  দাখিল   পরীক্ষায় উল্লেখ যোগ্য সংখ্যক পরীক্ষার্থী কৃতিত্বের সাথে ভাল ফলাফল করে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে অধ্যয়ন সমাপ্ত করা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অনেকেই বর্তমানে সরকারী ও বে-সরকারী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে।

 

                                           ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

 

ভৈরবনগর দারুল উলূম বালিকা  দাখিল মাদ্রাসাটিবিগত ১৯৯৬সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজস্ব সৌন্দর্য, স্বকিয়তা ও কর্মকান্ড পূঙ্খানু পুঙ্খ রুপে পালন পূর্বক দীর্ঘপথ পরিক্রমায় এক অনন্য সাধারণ ও বিরল দৃষ্ঠান্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং আরও শ্রীবৃদ্ধির লক্ষ্যে এর ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিম্ন রুপঃ

 

পরিকল্পনা সমূহঃ

১.       সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মানুবর্তিতা যথাযথ ভাবে পালন পূর্বক গ্রামীন জনপদের অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে                একটি আদর্শ ও             অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসাবে প্রতিষ্ঠা করণ।

২.         অধিকতর শিক্ষার্থী ভর্তি করে তাদের মেধা মনন ও সৃজনশীল সত্ত্বার অধিক বিকাশ সাধন ও দেশে দেশ প্রেমিক শিক্ষিতের            হার বৃদ্ধিকরণ।

৩.         শিক্ষার্থীদের অধিক সৃজনশীল করে তাদের দৃষ্টি ভঙ্গির পরিবর্তন  অসাম্প্রাদায়িক, রুচিশীল,             স্বাধীনচেতা, সচ্চরিত্র ও দায়িত্বশীল করে গড়ে তোলা।

৪.         শিক্ষক  শিক্ষার্থী অভিভাবক এই তিনের সুসমন্বয়ে মাদ্রাসাটিতে কার্যক্রমকে গতিশীল করে আদিম শিক্ষা ব্যবস্থার            গড্ডালিকা প্রবাহ প্রতিরোধ পূর্বক চলমান শিক্ষা ব্যবস্থার ধারাকে সমুন্নত ও আধুনিকায়ন করণ।

৫.         মাদ্রাসাটিতে নব নব সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম গ্রহণ করে শিক্ষা প্রগতি, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কে         আরও উপযুক্ত ও যোগ্যতা সম্পন্ন করণ।

৬.         শিক্ষার্থীদের কে হিংসা বিদ্বেষ, বিভেদ, ধর্মান্ধতা, সাম্প্রদায়িকতা, কুসংস্কার ও যাবতীয় অসামাজিক ক্রিয়াকান্ড বর্জনের     উপযুক্ত মানসিকতা সম্পন্ন করে গড়ে তুলে আদর্শ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা।

৭.         প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন কল্পে মাদ্রাসাটিতে উপর্যুক্ত ছাত্রীবাস, ব্যায়ামাগার প্রতিষ্ঠা এবং গ্রন্থাগারের মান বৃদ্ধি করে অত্র      শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আরও সৃষ্টিশীল করণ পূর্বক মেধা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের যোগান বৃদ্ধিকরণ।

৮.         মাদ্রাসাপিতে বিভিন্ন উৎসব ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচী পালন পূর্বক শিক্ষার্থীবৃন্দকে বিভিন্ন মেথডে পাঠে অধিক আগ্রহী করে         বাঙ্গালী জাতির অতীত ঐতিহ্য, ভাষা, সাহিত্য সংস্কৃতি, ভাষা আন্দোলন, মহান           মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসের            জ্ঞান বৃদ্ধি করে জাতীয় চেতনাকে সমুন্নত রাখা।

৯.         শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদানের জন্য আরও অধিক বাস্তব সম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

১০.        সর্বপরি মাদ্রাসাটিতে আভ্যন্তরিন / সমাপনি পরীক্ষা সহ জে,ডি,সি ও দাখিল শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলে গুণগত ও

            সংখ্যাগত মানবৃদ্ধি পূর্বক তা শতভাগে উনীণত করণ।

 

 

যোগাযোগ

 

মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম

সুপার 

ভৈরবনগর দারুল উলূম বালিকা দাখিল মাদ্রাসা

গ্রামঃ ভৈরবনগর , পোঃ রমজাননগর

উপজেলা/ থানা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা।

মোবাইল নম্বর-০১৭২৯-৮২৩৩৫৩



Share with :

Facebook Twitter