মেনু নির্বাচন করুন

সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি একটি অতি প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সুদীর্ঘ ১৯৪৫ সালে ইংরেজ শাসনামলে তদানীন্তন ৭নং মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের সনামধন্য চেয়ারম্যান মরহুম জনাব সামছুর রহমান (টি,কে) সাহেবের অক্লান্ত প্রচেষ্ঠায় শ্যামনগর থানা থেকে ২০ কিঃ মিঃ দূরে অবস্থিত সুন্দরবনের কোল ঘেষে যতীন্দ্রনগর গ্রামে সুন্দরবনের নাম অনুসারে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। এই প্রতিষ্ঠানটির জমি দাতা ছিলেন মরহুম মনিরুদ্দীন গাজী। তিনি তার নিজ সম্পত্তি হইতে .৮০ (আশি) শতক জমি বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য বিদ্যালয়ের অনুকুলে দান পত্র করেছিলেন।

বিদ্যালয়টির অবস্থানঃ মৌজা-হরিনগর, সিট নং-০৬,

জে,এল নং-৭৯, হাল জে,এল নং- ৮০,

খতিয়ান নং- ২৩০, ৫০৯, ৫৪৯,

এস,এ দাগ নং-১৪৬৪,১৪৬৬,১৪৪৩

ইউনিয়নঃ ৭নং মুন্সীগঞ্জ।

উপজেলা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা।

এম,পি,ও ভূক্তির তারিখ-০১/০১/১৯৮৫।

এম,পি,ও কোড নং-৬১০৬০৭১৩০১

ইন নং-১১৮৯২১

বিদ্যালয় কোড নং-৪৮৩৫

                        বর্তমান সাতক্ষীরা জেলাধীন শ্যামনগর  উপজেলার অন্তর্গত ৭নং মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের সুদুর দক্ষিনে সুন্দরবনের কোল ঘেষে যতীন্দ্রনগর গ্রামে অবস্থিত সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইতিহাস সংক্ষেপে উল্লেখ করা হল। আজ হতে প্রায় আশি বছর পূর্বে ১৯৩২ সালে তদানীন্তন বিদ্যেসাহী ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক ব্যক্তি মরহুম সামছুর রহমান সাহেবের প্রচেষ্টায় প্রথমে বড়ভেটখালী গ্রামের দাউদ মোড়লের ভিটায় মাটির দেওয়াল ও গোলপাতার ছাউনি দ্বারা একটি বিদ্যালয় নির্মান করেন। উক্ত বিদ্যালয়টি দেখাশুনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন তারই অন্তরঙ্গ বন্ধু ডাঃ সুবল চন্দ্র মন্ডল মহাশয়কে। এই বিদ্যালয়টি তখন স্থানীয়দের নিকট যতীন্দ্রনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে পরিচিত ছিল। বিদ্যালয়টি বহুদিন চলার পর হঠাৎ একদিন আশ্বিনের প্রবল ঘূর্নিঝড়ে  বিদ্যালয়টির অবকাঠামো ভেঙ্গে চুরে একেবারেমাটির সঙ্গে মিশে গেল। তখন এলাকার মানুষ নতুন চিন্তা ভাবনা শুরু করেছিল। সকলের প্রচেষ্টায় যতীন্দ্রনগর গ্রামে মাঝামাঝি জায়গায় বড়ভেটখালী খালের পূর্ব পাড়ে মরহুম মনিরুদ্দীন গাজীর উঁচু বিলান জমিতে নতুন করে বিদ্যালয় নির্মানের কাজ শুরু হয়েছিল। এবার ছাউনি হল টালির এবং ঘর ও অনেক লম্বা হল। কিছু দিনের মধ্যে স্বীকৃতি পেল যতীন্দ্রনগর মাইনর ইংলিশ স্কুল নামে। তখন বৃটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে আলমারী, চেয়ার, টেবিল প্রভৃতি আনা হলো। তৈরী হল স্থানীয় মিস্ত্রী দ্বারা ছাত্র/ছাত্রীদের বসবার জন্য কাঠের বেঞ্চ। আশে পাশে ২৫/৩০ মাইলের মধ্যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় ১৯৪৫ সালে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত জুনিয়র স্কুল হিসাবে উন্নীত করা হল। ইহার পর স্কুলটির পাকাপোক্ত  অবস্থানের জন্য তৎকালীন বিশিষ্ট সমাজ সেবক মরহুম মনিরুদ্দীন গাজী তাহার নামীয় .৮০ (আশি) শতক জমি যতীন্দ্রনগর মাইনর ইংলিশ স্কুলের নামে চিরস্থায়ী দানপত্র করে দিলেন।

          অতঃপর ১৯৪৭ সালে বৃটিশ রাজত্ব শেষ হয়ে পূর্ব পাকিস্থান নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হল। তখন এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা তৎকালীন ৭নং মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট বিদ্যেৎসাহী সমাজ সেবক মরহুম সামছুর রহমান টি,কে সাহেবের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় যতীন্দ্রনগর মাইনর ইংলিশ স্কুলটি দশম শ্রেনীতে উন্নীত হওয়ায় তৎকালীন সরকার বিদ্যালয়টির ০১/০১/১৯৫৪ তারিখ হতে পূর্ন স্বীকৃতি দান করলো এবং যতীন্দ্রনগর মাইনর ইংলিশ স্কুল তখন নাম পরিবর্তন করে সুন্দরবন উচ্চ ইংরেজী বিদ্যালয় নামে পরিচিত হল। বিশ্ব বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের নাম অনুসারে বিদ্যালয়টির নাম করন করা হয়েছিল।

          বিদ্যালয়টি যখন দশম শ্রেনী পর্যন্ত পূর্ন স্বীকৃতি লাভ করল তখন সকলের প্রচেষ্টায় এ স্কুলের পার্শ্বে বিরাশি হাত লম্বা ছোট দশ কক্ষ বিশিষ্ট নতুন আঙ্গিকে কুড়ে বর্গার তৈরী ও চুন সুড়কির ছাদ দিয়ে নুতন একাডেমিক ভবন নির্মান করা হয়েছিল এবং টালির ছাউনি পুরাতন বিদ্যালয়টি প্রাইমারী স্কুল হিসেবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তখন এই বিদ্যালয়টির আশে পাশে ২৫/৩০ মাইলের মধ্যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় বহুদুর দুরান্ত হতে শতশত ছাত্র-ছাত্রী এই বিদ্যালয়ে  পড়াশুনা করার জন্য আসত। ছাত্রদের জন্য  ৩(তিন) টি ছাত্রাবাস ছিল। অস্থায়ী ঘরে পড়াশুনা চলতে থাকে। ১৯৫৫ সালে প্রথম তৎকালীন ম্যাট্রিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী পাঠানো শুরু হয়। প্রথম ম্যাট্রিক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছিল ৪ জন পরীক্ষার্থী এবং পাশ করেছিল ৪ জন পরিক্ষার্থী।

অতঃপর বিগত ১৯৬০-৬১ আর্থিক সালে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সরকারী সহায়তায় ১৭০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রস্থ অথ্যাৎ ৫,১০০ বর্গফুট ক্ষেত্রফল ১১ কক্ষ বিশিষ্ট এক বিরাট একাডেমিক ভবন নির্মান  করা হয়। যার সিংহভাগ ব্যয়ভার বহন করেছিল বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তখনকার দিনে এই বিরাট ভবনটির নির্মান খরচ হয়েছিল ৮০,০০০/-(আশি হাজার) টাকা শ্যামনগর থানার মধ্যে এতবড় ভবন আর কোথাও নেই। এই ভবনটির বয়স প্রায় ৫২ (বায়ান্ন) বছর হয়েছে। বর্তমানে ভবনটিতে শ্রেনী পাঠনার কাজ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। কারন ভবনটি বহু পুরাতন হওয়ায় সংস্কারের অভাবে  জরাজীর্ন ও ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। বিদ্যালয়টি সংস্কার করা একান্ত প্রয়োজন।

          পুরাতন একাডেমিক ভবনটি জরাজীর্ন ও ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় বিগত ২০০৩ সালে বাংলাদেশ শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের সুবিধা প্রদান বিভাগ কর্তৃক ৮(আট) কক্ষ বিশিষ্ট নুতন দ্বিতল ভবন নির্মিত হয়। উক্ত দ্বিতল একাডেমিক ভবনটিতে ছাত্র/ছাত্রীদের শ্রেনী পাঠনার কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে।

          বর্তমান বিদ্যালয়টিতে শ্রেনী কক্ষ ছাড়াও আছে পৃথক পাঠাগার, কৃষিরুম, বিজ্ঞানাগার, কম্পিউটার রুম, কমন রুম, অফিস কক্ষ। ইহা ছাড়া বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের জন্য আছে পৃথক পৃথক পাকা টয়লেট, নামাজ পড়ার জন্য আছে পাকা মসজিদ, পানীয় জলের জন্য আছে গভীর নলকূপ এবং খেলাধুলার জন্য আছে একটি প্রশস্ত খেরার মাঠ।

          বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লগ্ন হতে আজ পর্যন্ত ১০২০ জন ছাত্র-ছাত্রী এস,এস,সি পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়ে ডাক্তার, উকিল, ইঞ্জিনিয়ার, রাজনীতিবীদ,শিক্ষক , সরকারী কর্মচারী ও সমাজ সেবক হয়েছে তার ইয়াত্তা নেই। ভবিষ্যতে বিদ্যালয়টির শিক্ষার গুনগত মানসহ সর্বিক উন্নতি উত্তর উত্তর বৃদ্ধি হউক এটাই সকলের কাম্য।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

মোট ছাত্র/ছাত্রী সংখ্যা-  ৩৭৩ জন।

 

শ্রেনী ভিত্তিক ছাত্র/ছাত্রী সংখ্যাঃ

 

ক্রমিক নং

শ্রেনী

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

৬ষ্ঠ

৫১

৪৫

৯৬

৭ম

৪০

৫৫

৯৫

৮ম

২৮

৩০

৫৮

৯ম

৩২

৩৮

৭০

১০ম

২৭

২৭

৫৪

 

মোট

১৭৮

১৯৫

৩৭৩

৮৮.৮৮%

ম্যানেজিং কমিটির বিবরনঃ

 

ক্রঃ নং

নাম

পদবী

০১

এস,এম, মতিউর রহমান

সভাপতি

০২

জি,এম, মোবারক আহমদ

সদস্য

০৩

আব্দুল গফুর মোড়ল

সদস্য

০৪

রাশেদুল ইসলাম

সদস্য

০৫

এস,এম, শফিকুল ইসলাম

সদস্য

০৬

ডাঃ শুনীল কুমার মন্ডল

সদস্য

০৭

বেগম সেলিনা পারভীন

সদস্য

০৮

শেখ আসলাম আদমেদ

শিক্ষক প্রতিনিধি

০৯

দীন নাথ মন্ডল

শিক্ষক প্রতিনিধি

১০

আরিফা এদিব চৌধুরী

শিক্ষক প্রতিনিধি

১১

বিমল কুমার মন্ডল

প্রঃ শিঃ /সদস্য সচিব

 

শিক্ষক অভিভাবক কমিটির বিবরনঃ

ক্রঃ নং

নাম

পদবী

০১

বিমল কুমার মন্ডল

সভাপতি

০২

সালাউদ্দীন আহমদ

সদস্য সচিব

০৩

গোবিন্দ লাল রপ্তান

শিক্ষক প্রতিনিধি

০৪

রাশেদুল ইসলাম

অভিভাবক সদস্য

০৫

মোঃ আজিজুর রহমান

শিক্ষক

০৬

আরিফা এদিব চৌধুরী

শিক্ষক

০৭

শফিকুল ইসলাম

অভিভাবক সদস্য

০৮

এস,এম আবু আহমেদ

অভিভাবক সদস্য

০৯

জি,এম, মোবারক আহমেদ

অভিভাবক সদস্য

১০

মুসলিমা পারভীন

অভিভাবক সদস্য

 

 

 

 

 

 

এস,এস,সি

 

সাল

পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারীর  সংখ্যা

কৃতকার্যের সংখ্যা

পাশের হার

২০০৭

৪৪

৩১

৭০.৪৫%

২০০৮

৫১

২৯

৫৬.৮৬%

২০০৯

৪১

৩৬

৮৭.৮০%

২০১০

৫০

৪৪

৮৮%

২০১১

৪৪

৩৪

৭৭.২৭%

জে,এস,সি

 

সাল

পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারীর  সংখ্যা

কৃতকার্যের সংখ্যা

পাশের হার

২০০৭

-

-

-

২০০৮

-

-

-

২০০৯

-

-

-

২০১০

৬১

৪৪

৭২.১৩%

২০১১

৯০

৮০

৮৮.৮৮%

 

২০১১ জুনিয়র বৃত্তি প্রাপ্ত ০২ জন সাধারন গ্রেড

 

শ্রেনী ওয়ারী উপবৃত্তিঃ

ক্রঃ নং

শ্রেনী

সংখ্যা

০১

৬ষ্ঠ

১৯

০২

৭ম

১৯

০৩

৮ম

১৮

০৪

৯ম

১৩

০৫

১০ম

১৪

 

                      মোট

             ৮৩ জন।

অর্জনঃ

 

          সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর ০১/০১/১৯৫৪ইং সালে প্রথম স্বীকৃতি লাভ করে। স্বীকৃতি লাভের পর ইং ১৯৫৫ সালে অত্র বিদ্যালয় হইতে ১ম ম্যাট্রিক পরীক্ষায় অংশগ্রনকারীদের মধ্যে ০১(এক) জন ২য় বিভাগে ও ২জন ৩য় বিভাগে পাশ করেছিল। এভাবে ১৯৫৫ সাল হতে ইং ২০০০ সাল পর্যন্ত অত্র বিদ্যালয় হইতে মোট ৬৮৫ জন ছাত্র/ছাত্রী এস,এস,সি পরীক্ষায় উত্তীর্ন হইয়াছে। যাহার মধ্যে ১ম বিভাগে উত্তীর্ন হয়েছিল ৭৬ জন। ২য় বিভাগে উত্তীর্ন হয়েছিল ২৭৫জন এবং ৩য় ভিাগে উত্তীর্ন হয়েছিল ৩৩৪ জন। ইহার পর ২০০১ সাল হইতে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হওয়ার পর ২০০১ সাল হইতে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয় হতে মোট ৩৩৫ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ন হয়েছে। ইহার মধ্যে A+ পেয়েছে ০৫ (পাঁচ) জন, A গ্রেড পেয়েছে ৪০ জন,A- গ্রেড পেয়েছে ৯৩ জন, Bগ্রেড পেয়েছে ১১৯ জন এবং C গ্রেড পেয়েছে ৮৭ জন, এই উত্তীর্ন ছাত্র/ ছাত্রীদের মধ্যে হতে অনেকে এম,বি,বি,এস, ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার, উচ্চ পদস্থ সরকারী কর্মচারী, উকিল ও রাজনীতিবিদ হিসেবে  পরিচিতি লাভ করেছে। ইহা ছাড়া বিদ্যালয় হতে এ পর্যন্ত ১২ জন জুনিয়র বৃত্তি লাভ করেছে। তাছাড়া খেলাধুলার দিক থেকে বিদ্যালয়ের সুনাম প্রতিষ্ঠাকাল থেকে আজ পর্যন্ত আছে। বিশেষ করে ফুটবল ও ভলিবল খেলায় প্রায় অত্র বিদ্যালয়ের বিশেষ সুনাম আছে। সবদিক থেকে বিচার বিবেচনা করলে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে তার অর্জন প্রসংসনীয়।

ভবিষৎ পরিকল্পনাঃ

                              বিদ্যালয়টিকে একটি আদর্শ বিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিম্নরুপ পরিকল্পনা গ্রহন করব।

১। প্রতিমাসে শিক্ষকবৃন্দদের নিয়ে শ্রেনী পাঠনার কৌশল আলোচনা করব।

২। সৃজনশীল ও এস,বি,এ পদ্ধতিতে  শ্রেনীপাঠনার কাজ চালু রাখব।

৩। লাইব্রেরিতে আরও বিজ্ঞান ও বিনোদন মূলক বই সংযোজন করব।

৪। শ্রেনী পাঠনার সুবিধার্থে বিভিন্ন ধরনের উপকরনের ব্যবস্থা করব।

৫। পর্যায়ক্রমে সকাল শিক্ষকের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করব।

৬। ভবিষ্যতে বিদ্যালয়টিকে মাধ্যমিক পর্যায় হইতে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত করার চেষ্টা করব।

৭। প্রতিবছর ২বার করে শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে সমাবেশ অব্যহত থাকবে।

৮। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী বেশি ভর্তি হয় সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করব।

৯। কম্পিউটার বিষয়ে পড়াশুনার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের বেশি করে উৎসাহিত করব।

১০। ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত খেলাধুলার ব্যবস্থা করব।

১১। কম্পিউটার ল্যাব তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহন করব।

১২। বিদ্যালয়ের পরিবেশ সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখাব।

১৩। বছরের প্রথমে বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা প্রনয়ন করব।

১৪। পাবলিক ও আভ্যন্তরিন পরীক্ষার ফলাফল আরও ভাল করার পরিকল্পনা গ্রহন করব।

যোগাযোগঃ

প্রধান শিক্ষকের নামঃ বিমল কুমার মন্ডল

ডাকঘর-যতীন্দ্রনগর, উপজেলা-শ্যামনগর, জেলা-সাতক্ষীরা।

মোবাইল নং-০১৭১৯-৬৩৩৩২৫।

ই-মেইল নং-sundarbon.highschool@gmail.com

২০১১ সালের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের নামের তালিকাঃ

ক্রঃ নং

মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদের নাম

সাল

মন্তব্য

০১

সুমাইয়া পারভীন

২০১১

 

০২

স্বস্তিকা ভৌমিক

২০১১

 

০৩

ববিতা পারভীন

২০১১

 

০৪

রাফিজুর রহমান

২০১১

 

০৫

মিস তামান্ন বিলকিস

২০১১

 

০৬

আমিনূর রহামন

২০১১

 

০৭

খাদিজা ইসলাম

২০১১

 

০৮

আসমাউল হুসনা

২০১১

 

০৯

সাথী পারভীন

২০১১

 

১০

মরিয়ম পারভীন

২০১১

 

১১

সুজতা রানী

২০১১

 

১২

নাসরীন পারভীন

২০১১

 

১৩

সুমন কুমার

২০১১

 

১৪

অলোক রঞ্জন সরদার

২০১১

 

১৫

জয়শ্রী বালা

২০১১

 

১৬

মরিয়ম পারভীন

২০১১

 

১৭

আকর আলী

২০১১

 

১৮

ফারজানা আক্তার

২০১১

 

১৯

মোহাম্মদ উল্লাহ

২০১১

 

২০

আল আমিন হোনে

২০১১

 

 

 

 

 

 

 

 



Share with :

Facebook Twitter