মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

৪নং লক্ষ্মীনাথপুর রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

বিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত বর্ননাঃ

 

 ৪ নং লক্ষ্ণীনাথপুর রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার অধিনে নূরনগর ইউনিয়ানের লক্ষ্ণীনাথপুর গ্রামে অবস্থিত। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার সন  ৩০/০১/১৯৮২ ইং সন। বিদ্যালয়টি এ এস খতিয়ান নং-১৫৯ এবং ডি এস খতিয়ন নং-২৮৫ এবং ২৮৫ দাগের ৫৩ শত ভূমির উপর লক্ষ্ণীনাথপুর মৌজায় স্থাপিত হয় বিদ্যালয়টি উত্তর পাশ্বে একটি কমিউনিটি সেন্টার একটি কৃঞ্চ মন্দির ও ৫২ নং হরিনাগাড়ী রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। দক্ষীনে একটি মৎজিদ আছে পূর্বে মানুষ চলাচলের রাস্থা এবং মাদার নদী প্রবাহিত অছে। নদীর উপর একটি পুল আছে। পশ্চিমে বড় কয়ার রাস্থা ও একটি খাল আছে।

বিদ্যালয়ের ইতিহাসঃ-

লক্ষীনাথপুর রেজিঃ প্রথমিক বিদ্যালয়টি পূর্বে খাই অসহায় অবস্থার মেধ্যে ছিল। অসহায় অবস্থায় থাকায় একজন দানশিল ব্যক্তি ৫৩ শতক ঝায়গা দান করেন। ব্যক্তিটিরনাম বাবুরাম মন্ডল। বাবুরাম মন্ডল ৫৩ শতক জমি দান করে বিদ্যালয়াটি প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ব্যক্তিটি মারা যওয়ায় তার উত্তরাধিকারী ব্যক্তি তার নিজ  ভাইপো বাবু পঞ্জনন মন্ডল বিদ্যালয়াটি দেখাশনা করেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ের দেওয়াল ও প্রচীর ভেঙে পড়ে যাচ্ছে। লবনাক্ত এলাকায় বলে নোনা ধরে প্রচির ও ছাদ ভেঙে পড়ছে। উধর্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি কামনা করছি। তারা যথাযথ কাজ করছে। যাতেকরে বিদ্যালয়টি নতুন ভাবে তৈরি হয়। যেন ভয়ে ভয়ে কোমলমতি ছাত্র/ছত্রী প্রান বাচাঁনর জন্য বিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাচ্ছে। অভিভাবকের কথা তারা তাদের বাচ্চার প্রান বাচাবে।যদি ছাদ ধসে পড়ে কোমলমতি ছাত্র/ছত্র দের জীবন বিসর্জন দিতে হয়। আমাদের শিক্ষ দের জীবন ভয়ে গাছতলায় বসে পাট দান করতে হচ্ছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

বিদ্যালয়ের শ্রেণীর ভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাঃ-             (২৪-০১-২০১২পর্যমত্ম)

 

শিশু শ্রেনীঃ-০৪ জন।

১ম   শ্রনীঃ-২২ জন।

২য়   শ্রেনীঃ-২৩ জন।

৩য়   শ্রেনীঃ-৩৭ জন।

৪র্থশ্রেনীঃ-২১ জন।

৫ম  শ্রেনীঃ-১৪ জন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির বিবারণঃ-

 

১.হাবিবুর রহমান-সভাপতি।

২। বাবু নিরাঞ্জন গায়েন-সহ-সভাপতি

৩।সুমিত্র রানী মন্ডল- অভীভাবক সদস্য

৪। বাবু পঞ্চান্ন - জমিদাতা

৫।আবু বক্কার সিদ্দিক- ইউপি,সদস্য

৬।মধাব চন্দ্র মন্ডল - মাধ্যমিক প্রতিনিধি

৭।রনজিৎ কুমার বৈদ্য- সদস্য সচিব

৮।হাবিবুর রহমান- বিদ্যুৎ সাহী সদস্য

৯। বাবু দুলাল চন্দ্র গায়েন- শিক্ষক প্রতিনিধি

১০।রেনুকা রানী মন্ডল - বিদ্যুৎ সাহী সদস্য

১১।আক্তার ফারম্নক- অভিভাবক সদস্য

১২। আসমা খাতুন- সদস্য

শিক্ষক অভিভাবক কমিটিঃ-

 

১।বাবু নিমাই চন্দ্র মন্ডল-সভাপতি

২। জিএম আক্তা ফারম্নক- সহ সভাপতি

৩।বাবু রনজিৎ বৈদ্য -সদস্য সচিব

৪। বাবু প্রভাষ চন্দ্র গায়েন- সদস্য

৫।মোঃ মোবারক গাজীুসদস্য

৬।সবিতা রানী মন্ডল- সদস্য

৭।বাবু দুলাল চন্দ্র গায়েন -সদস্য

৮। মোঃ আজিজুল সরদার-সদস্য

৯। মাফুজা খাতুন- সদস্য

১০। বাসুমত্মী রানী মন্ডল- সদস্য

(এস,এল,আই,পি) কমিটিঃ-

 

১।শেখ হাবিবুর রহমান- আহবায়ক

২। সুমিত্রা রানী মন্ডল -সদস্য

৩।  নিমাই চন্দ্র মন্ডল -সদস্য

৪। আক্তার ফারম্নক- সদস্য

৫। বাসমত্মী রানী- সদস্য

৬।আবু-বক্কার সিদ্দিক- সদস্য

৭।দুলাল চন্দ্র -সদস্য

৮।শিক্ষাক পদ শুণ্য- সদস্য

৯। রনজিৎ কুমার -সদস্য সচিব

বিগত ৫ বছরের ফলাফল(সমাপনী)ঃ-

সাল

ডি,আর ভুক্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

পরিক্ষাঅংশ গ্রহন কারির সংখ্যা

উত্তিনের সংখ্যা

উত্তিনের হার

মমত্মব্য

২০০৯

২০

২০

২০

১০০%

 

২০১০

১৩

১৩

১৩

১০০%

 

২০১১

১৮

১৬

১৬

১০০%

 

শিক্ষা বৃত্তির তথ্য-২০১১

সর্ব মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা

কার্ডের সংখ্যা

সুবিধা ভোগী পরিবার

সুবিধা ভোগী ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা

হার

 

১২৬জন

একক

যৌথ

মোট

 

৯৯

 

৯৯

০০

৯৯

অর্জন

আমি রনজিৎ কুমার বৈদ্য প্রাধান শিক্ষক ৪ নং লক্ষ্ণীনাথপুর রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ল। আমি অত্র বিদ্যালয়ে ২০০৪ সালের ২৮ শে অক্টবর যোগ দান করার পর দেখলাম যে বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফলাফল খুবই খারাপ আমার শ্রেদ্ধেয় ক্লাস্টার স্যার  আব্দুর রাশদ সাহেব আমাকে পরামর্শ দিলেন যেবিদ্যালয়ে ছাত্র/ ছাত্রী দের পরিক্ষ্যার ফলাফল খুবই খারাপ আপনার কাছে দাবি আপনি ১০০% পাসের হার দেখাবেন। আমি বল­াম স্যার আপনি দোওয়া করবেন আমি চেষ্টা করব। যেখান থেকে অদ্য বধী ১০০% সাশের হর বজায় রেখেছি এবং ২০০৬ ও ২০০৭ সালে বৃত্তি পাওয়া সহ ভাল রেজাল্ট দেখিয়ে য়াসছি।  এবং আমি যে সকল ছাত্র/ ছাত্রী দের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি তারা খুব সুনামের সাথে লেখাপড়া করছে। এলাকাটি অত্যান্ত দরিদ্র এবং শিক্ষার দিক দিয়ে অসচেতন ছিল। আমি সবায়কে ডেকে বিভিন্ন পরামার্শ করে আমার স্কুলে ১০০% ভত্তি নিশ্চিত করেছি।এবং ২০১১ সালে আমার বিদ্যালয়ে থৈকে ১ জন ছাত্র        এ প­স পেয়েছে। এবং আমি অত্রএলাকার  সবার কাছে শ্রাদাধা এবং সম্মানের। তাই আমি নিজেকে আমার শিক্ষ্যাকতা পেশার জন্য গর্বিত ও ধন্য মনে করি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পানাঃ-

 

আমি রনজিৎ কুমার বৈদ্য প্রাধান শিক্ষক ৪ নং লক্ষ্ণীনাথপুর রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ল । আমার মনে হয় আমি যদি বিদ্যালয়ে পূন্য শিক্ষক পায় এবং আমার বিদ্যালটি অত্যান্ত ভাঙ্গা ও ভয়াবহ অবস্থায় পরিবর্তে নতুন বিদ্যালয় স্থাপন হয় তাহলে সুমদর পরিবেশের আলকে সুন্দর ভাবে পাট দান করে ছাত্র/ছত্রীদের ভাল ফলাফল করতে সহায়তা করব। তাছাড় মহামান্য সরকার যদি আমাদের রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোকে জাতিয়করন করেন এবং আমরা যাহারা শিক্ষ্যাকতা পেশায় নিয়জিত আছি তাদের কে অন্যকাজে না দিয়ে সুধু মাত্র শিক্ষার জন্য বিদ্যালয় থাকতে তাহলে যাতিও কে তথা আমার বিদ্যালয়টিকে আর সুন্দর গড়েতুলতে পারবো। সাথে স্কুল এলাকার সকল শ্রেনীর মানুষের শিক্ষার প্রতি আগ্রহী অপ্রান চেষ্টা করবো।

 

যোগাযোগঃ-

 

প্রতিষ্ঠান প্রধানু রনজিৎ কুমার বৈদ্য।

পদবী- প্রধান শিক্ষক

মোবাইল নং-০১৯১৭-৩৬০৫৪৮

মেধাবী ছা্ত্র-ছাত্রীদের নামঃ-

 

(সমাপনী পরীক্ষার আলোকে -২০১১সাল)

 

২০১১সাল-

২০০৯সানে-৯জন

২০১০সানে-৩জন

২০১১সানে-৪জন